ইন্টারনেটের সাতকাহন (২য় অংশ)
আজকে আমরা কথা বলছি ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে।
প্রথমেই জেনে নেয়া যাক অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি?
সামাজিক যোগাযোগ এর অর্থ ইনটারনেট এর মাধ্যমে বিভিন্ন লোকজনের সাথে যোগাযোগ।
এখন বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে
Facebook, Twitter, Linkedln, Google+, YouTube, Instagram, Pinterest,
Snapchat এবং Flickr অন্যতম।

ফেইসবুক
টুইটার
টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১৪০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন (এখন আরো বর্ধিত হয়েছে) । এই বার্তাগুলোকে টুইট বলা হয়ে থাকে। টুইটারের সদস্যদের টুইটবার্তাগুলো তাদের প্রোফাইল পাতায় দেখা যায় (যদিনা সদস্য সেটা কে দেখতে পাবে তা বাছাই করেন)। টুইটারের সদস্যরা অন্য সদস্যদের টুইট পড়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারেন।
এই কাজটিকে বলা হয় অনুসরণ করা। কোনো সদস্যের টুইট পড়ার জন্য যারা নিবন্ধন করেছে, তাদেরকে বলা হয় অনুসরণকারী।
টুইট লেখার জন্য সদস্যরা সরাসরি টুইটার ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও, মোবাইল ফোন বা এসএমএসের মাধ্যমেও টুইট লেখার সুযোগ রয়েছে।
২০০৬ সালের মার্চ মাসে টুইটারের যাত্রা শুরু হয়। তবে ২০০৬ এর জুলাই মাসে জ্যাক ডর্সি আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। টুইটার সারা বিশ্ব্জুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। টুইটার বিশ্বের দ্বিতীয় বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ২০১০ সালের ৩১শে অক্টোবর নাগাদ টুইটারে ১৭৫ মিলিয়ন অর্থাৎ ১৭.৫ কোটিরও বেশি সদস্য ছিলো। অন্যান্য পরিসংখ্যান অনুসারে একই সময়ে টুইটারের ১৯০ মিলিয়ন বা ১৯ কোটি সদস্য ছিলো এবং দিনে ৬৫ মিলিয়ন
বা সাড়ে ৬ কোটি টুইট বার্তা, এবং ৮ লাখ অনুসন্ধানের কাজ সম্পন্ন হতো।টুইটারকে ইন্টারনেটের এসএমএস বলে অভিহিত করা হয়েছে।
ইন্সটাগ্রাম
ইন্সটাগ্রাম ফেসবুক, টুইটার, টাম্বলার এবং ফ্লিকার মত অনলাইনে ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করার
এমন একটি অনলাইন মোবাইল ফটো শেয়ারিং, ভিডিও শেয়ারিং এবং সামাজিক নেটওয়ার্কিং
পরিসেবা। ইন্সটাগ্রাম এর মাধ্যমে ছবি এবং ১৫ সেকেন্ডের দৈঘ্যের ভিডিও আপলোড করা যায়।
প্রতিদিন ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করে যারা কিনা ফটো শেয়ার করে থাকে।
প্রতিদিন ৭০ মিলিয়ন স্থিরচিত্র এবং ভিডিও শেয়ার করা হয় ইন্সটাগ্রাম এর মাধ্যমে!
গুগল+
গুগল+ (উচ্চারণ: গুগল প্লাস, সংক্ষিপ্ত ব্যবহার: জি+) (ইংরেজি:Google+, Google Plus, G+) হচ্ছে গুগলইনকর্পোরেশনের একটি সোশাল নেটওয়ার্কিং বা সামাজিক যোগাযোগ ওয়েব সেবা।
গুগল এই সেবাটি ২৮ জুন ২০১১এ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে। এই সেবাটির মাধ্যমে গুগলের অন্যান্য সেবাগুলো ব্যবহার করা যায়। ধারণা করা হয়, ২ বিলিয়ন(এখন) ব্যবহারকারীর অপর সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেইসবুকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুগল এই সেবা চালু করে।
ইউটিউব
ইউটিউব (ইংরেজি: YouTube) একটি ভিডিও আদান-প্রদান করার ওয়েবসাইট।
ওয়েব ২.০ এর অন্যতম কর্ণধার ইউটিউব বর্তমান ইন্টারনেট জগতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভিডিও
শেয়ারিং সাইট যা এর সদস্যদের ভিডিও আপলোড, দর্শন আর আদান-প্রদানের সুবিধা দান করে আসছে।
এই সাইটটিতে আরো আছে ভিডিও পর্যালোচনা, অভিমত প্রদান সহ নানা প্রয়োজনীয় সুবিধা।
ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির পেছনে ছিলেন মূলত পেপ্যাল প্রতিষ্ঠানের তিন প্রাক্তন চাকুরীজীবি, চ্যড হারলি, স্টিভ চ্যন আর বাংলাদেশী বংশদ্ভুত জাওয়েদ করিম।
সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখাঃ খালিদ হাসান
ইন্টারনেটের সাতকাহন (৩য় অংশ)
প্রথমেই জেনে নেয়া যাক অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি?
সামাজিক যোগাযোগ এর অর্থ ইনটারনেট এর মাধ্যমে বিভিন্ন লোকজনের সাথে যোগাযোগ।
এখন বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে
Facebook, Twitter, Linkedln, Google+, YouTube, Instagram, Pinterest,
Snapchat এবং Flickr অন্যতম।

ফেইসবুক
জনপ্রিয়তায় বাংলাদেশে ফেইসবুক সবার উপরে।
ফেইসবুক অথবা ফেসবুক (ফেবু হিসাবে সংক্ষিপ্ত) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটিতে কোন খরচ ছাড়াই সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ
করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সারা বিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন
৩০০ মিলিয়ন কার্যকরী সদস্য।
টুইটার
টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১৪০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন (এখন আরো বর্ধিত হয়েছে) । এই বার্তাগুলোকে টুইট বলা হয়ে থাকে। টুইটারের সদস্যদের টুইটবার্তাগুলো তাদের প্রোফাইল পাতায় দেখা যায় (যদিনা সদস্য সেটা কে দেখতে পাবে তা বাছাই করেন)। টুইটারের সদস্যরা অন্য সদস্যদের টুইট পড়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারেন।এই কাজটিকে বলা হয় অনুসরণ করা। কোনো সদস্যের টুইট পড়ার জন্য যারা নিবন্ধন করেছে, তাদেরকে বলা হয় অনুসরণকারী।
টুইট লেখার জন্য সদস্যরা সরাসরি টুইটার ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও, মোবাইল ফোন বা এসএমএসের মাধ্যমেও টুইট লেখার সুযোগ রয়েছে।
২০০৬ সালের মার্চ মাসে টুইটারের যাত্রা শুরু হয়। তবে ২০০৬ এর জুলাই মাসে জ্যাক ডর্সি আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। টুইটার সারা বিশ্ব্জুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। টুইটার বিশ্বের দ্বিতীয় বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ২০১০ সালের ৩১শে অক্টোবর নাগাদ টুইটারে ১৭৫ মিলিয়ন অর্থাৎ ১৭.৫ কোটিরও বেশি সদস্য ছিলো। অন্যান্য পরিসংখ্যান অনুসারে একই সময়ে টুইটারের ১৯০ মিলিয়ন বা ১৯ কোটি সদস্য ছিলো এবং দিনে ৬৫ মিলিয়ন
বা সাড়ে ৬ কোটি টুইট বার্তা, এবং ৮ লাখ অনুসন্ধানের কাজ সম্পন্ন হতো।টুইটারকে ইন্টারনেটের এসএমএস বলে অভিহিত করা হয়েছে।
ইন্সটাগ্রাম
ইন্সটাগ্রাম ফেসবুক, টুইটার, টাম্বলার এবং ফ্লিকার মত অনলাইনে ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করারএমন একটি অনলাইন মোবাইল ফটো শেয়ারিং, ভিডিও শেয়ারিং এবং সামাজিক নেটওয়ার্কিং
পরিসেবা। ইন্সটাগ্রাম এর মাধ্যমে ছবি এবং ১৫ সেকেন্ডের দৈঘ্যের ভিডিও আপলোড করা যায়।
প্রতিদিন ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করে যারা কিনা ফটো শেয়ার করে থাকে।
প্রতিদিন ৭০ মিলিয়ন স্থিরচিত্র এবং ভিডিও শেয়ার করা হয় ইন্সটাগ্রাম এর মাধ্যমে!
গুগল+
গুগল+ (উচ্চারণ: গুগল প্লাস, সংক্ষিপ্ত ব্যবহার: জি+) (ইংরেজি:Google+, Google Plus, G+) হচ্ছে গুগলইনকর্পোরেশনের একটি সোশাল নেটওয়ার্কিং বা সামাজিক যোগাযোগ ওয়েব সেবা।গুগল এই সেবাটি ২৮ জুন ২০১১এ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে। এই সেবাটির মাধ্যমে গুগলের অন্যান্য সেবাগুলো ব্যবহার করা যায়। ধারণা করা হয়, ২ বিলিয়ন(এখন) ব্যবহারকারীর অপর সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেইসবুকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুগল এই সেবা চালু করে।
ইউটিউব
ইউটিউব (ইংরেজি: YouTube) একটি ভিডিও আদান-প্রদান করার ওয়েবসাইট। ওয়েব ২.০ এর অন্যতম কর্ণধার ইউটিউব বর্তমান ইন্টারনেট জগতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভিডিও
শেয়ারিং সাইট যা এর সদস্যদের ভিডিও আপলোড, দর্শন আর আদান-প্রদানের সুবিধা দান করে আসছে।
এই সাইটটিতে আরো আছে ভিডিও পর্যালোচনা, অভিমত প্রদান সহ নানা প্রয়োজনীয় সুবিধা।
ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির পেছনে ছিলেন মূলত পেপ্যাল প্রতিষ্ঠানের তিন প্রাক্তন চাকুরীজীবি, চ্যড হারলি, স্টিভ চ্যন আর বাংলাদেশী বংশদ্ভুত জাওয়েদ করিম।
সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখাঃ খালিদ হাসান
ইন্টারনেটের সাতকাহন (৩য় অংশ)

No comments