অজানা Google!
প্রথম Google ডুডল
গুগলের জনপ্রিয় হোমপেজ "ডুডলস" (পরিবর্তন করা গুগল লোগো গ্রাফিক্স)
একটি ইভেন্ট বা বার্ষিকী চিহ্নিত করার উপায় হিসেবে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ দ্বারা সুপরিচিত এবং উপভোগ করা হয়েছে।
কিন্তু আপনি কি জানেন যে প্রথম গুগল ডুডলটিকে "অফিসের বাইরে" বার্তা হিসাবে তৈরি করা হয়েছিল?
১৯৯৮ সালে ব্রিন এবং পেজ নেভাদা বার্নিং ম্যান উত্সব যেতে সপ্তাহান্তে ছুটিতে ছিলেন। বার্ণিং ম্যান ডুডল তাদের দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে এবং তাদের ব্যবহারকারীদের জানাতে বলা হয়েছে যে তারা অফিস থেকে বের হবেন এবং তারা সার্ভার ক্র্যাশের মত প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করতে পারে না।
গুগল আইপিও এর আকর্ষণীয় পরিসংখ্যান

আগস্ট ২০০৪ সালে ইনিশিয়াল পাবলিক অফার এ গুগল এর স্টক জন্য
প্রাথমিক মূল্য নিজের মধ্যে একটি আকর্ষণীয় স্ট্যাট,যদিও গল্প আরো আছে। গুগল স্টকের জন্য শুরুর দাম $ 85 প্রতি শেয়ার ছিল। স্টক মূল্য $ 483 ছিল কিন্তু আগের বছরের তুলনায় এটি $ 600 এর মতো উচ্চতর বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে অনেকের জন্য GOOG একটি সুন্দর বিনিয়োগ তৈরি করেছে।
প্রথম Google স্টোরেজ LEGO থেকে তৈরি করা হয়েছিল

এটি এখনও একটি গবেষণা প্রকল্প হিসেবে গুগল মনে করে, গর্বিত হোস্ট হিসাবে, এবং পরিচিত হিসাবে। "BackRub" এখানে স্ট্যানফোর্ড এখনও আসল Google স্টোরেজ দেখায়. এটি তখনকার দিনে ব্যাপকভাবে গঠিত হয় কিন্ত ধারণ ক্ষমতা ছিল মাত্র ৪০ গিগাবাইট এর(একটি আধুনিক আইপড কম)।
অথচ আজকে যার পরিমাণ প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে বেড়েই চলছে।
গুগলের প্রথমবার টুইট
ফেব্রুয়ারী ২০০৯ এ পাঠানো বার্তাটি হল, "আমি 01100110 01100101 01100101 01101100 01101001 01101110 01100111 00100000 01101100 01110101 01100011 01110101 11111001 00001010" ।
কিছু বুঝতে পারলেন? আমার মনে হয়না কিছু বুঝেছেন। আসলে এগুলা হল বাইনারি সংখ্যা। কম্পিউটারের ভাষাও বলা যেতে পারে। মানে বুঝাটা অবশ্য খুব কঠিন না।
বাইনারি না জানা লোকেদের জন্য এখানে মানে দেয়া হল - এটা কোম্পানির হোমপেজ থেকে একটি সুপরিচিত ফ্রেজ। বুঝেছ? হ্যা, এটি পড়েছিল: "আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি"।
গুগলের ভাড়া করা ছাগল
এটি আসলে গুগল এর কুখ্যাত এপ্রিল ফুলের দিন জোকস নয়। গুগল ২০০ ছাগল ছাগল ভাড়া করেছিল। হ্যাঁ, আপনি ঠিক ই পড়েছেন. এটি গুগল সদর দফতর-এ বালি এবং ঘাসের পরিমাণ কমানোর জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার গাজিং নামে একটি কোম্পানী থেকে ছাগল ভাড়া করে।ভাষার উপর Google এর প্রভাব
যখন মরিয়াম-ওয়েবস্টার এবং অক্সফোর্ড ইংরেজি ডিকশনারীকে "গুগল" হিসাবে ২০০৬ সালে তাদের ল্যাক্সনিকে একটি ক্রিয়া হিসেবে যোগ করার জন্য অনুসন্ধান ইঞ্জিনকে রোমাঞ্চিত করেছিলেন, সেই খবরটি মনে হতো, গুগল আসলে আসলেই উন্নয়নের ব্যাপারে সন্তুষ্ট ছিল না।
"আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে আপনি যখনই গুগল ইনকর্পোরেটেড এবং আমাদের পরিষেবাগুলি উল্লেখ করছেন তখন আপনি কেবলমাত্র 'গুগল' ব্যবহার করতে চান," সেই সময়ে কোম্পানির একটি ব্লগ পোস্টে লিখেছিল।আর আজকে ২০১৭ সালে তাদের এই পরিশেবাটি কোন অবস্থানে আছে আমরা সবাই জানি। ল্যাটিন থেকে চাইনীজ? কোনটা পড়তে চান? পুরো লেখাটা কপি করে গুগল ট্রান্সলেটে দিলেই আপনার নিজের ভাষায় অনুবাদ করে দিবে। এমনকি যদি উচ্চারণ শুনতে চান সেটাও সম্ভব।
এছাড়াও গুগলের আরো অনেক অজানা ব্যপার রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবেনা।
সময়ের সাথে সাথে জনপ্রিয় হচ্ছে গুগল। আচ্ছা আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় ইন্টারনেট অনুসন্ধান ইঞ্জিনের কথা তাহলে আপনার উত্তর কি হবে? নিশ্চই গুগল? হুম তাই তো হওয়ার কথা। যদি বলা হয় গুগল ছাড়া বলেন, তাহলে হয়ত জেনে থাকলেও বলতে একটু কষ্ট হবে। সত্যিই গুগল ইন্টারনেটের বিকাশে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে আমরা ইন্টারনেট মানেই গুগল বুঝি। আপনার কাছে ইন্টারনেট আর একটা নুন্যতম এন্ড্রোয়েট মোবাইল ফোন থাকলেই আপনি সারা দুনিয়া ঘুরে আসতে পারবেন। আপনি কখন কোথায় আছেন সেটা আপনাকে জানাবে গুগল। কোথায় কীভাবে কোনদিক দিয়ে যাবেন সেটাও জানিয়ে দিবে গুগল। বাকি যে ইন্টারনেট অনুসন্ধান ইঞ্জিন গুলা রয়েছে তাদের অগ্রগতি গুগলের মত না। যদিও তারা এর থেকে কম না। ইয়াহু, ব তবে আপনাদের একটা কথা বলা হয়নি যে আমাদের বাংলাদেশের ও কিন্তু একটা ইন্টারনেট অনুসন্ধান ইঞ্জিন আছে। আমি জানিনা আপনারা এই প্রথম শুনলেন কি না। পিপীলীকা হল আমাদের নিজস্ব অনুসন্ধান ইঞ্জিন। সুতরাং বলতেই পারি আমরাও কোন অংশে কম না কারো থেকে।
আজকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের কথা ভাবলেই যার নাম সবার আগে মনে আসে তা হল গুগল ক্রোম। এটিও কিন্তু গুগলেরই। ছোট বেলায় বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা রচনা পড়েছিলাম। রচনার একটা লাইন ছিল এরকম, সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাবার আগে যা যা ব্যবহার করি সবই বিজ্ঞানের অবদান। আর আজকে বলতে হচ্ছে মোবাইল থেকে শুরু করে ইন্টারনেটে কিছু খুজে বের করা, মেইল করা, কোন এপস, রাস্তা খুজে বের করা সব কিছুই গুগলের অবদান।
এইযে আপনি এখন যে ফোন দিয়ে এই ব্লগে এসে আমার লেখা পড়ছেন এখানেও কিন্তু সব কিছুই গুগলেরই অবদান। কেন ? এই যে ব্লগিং সেবা কিন্তু তাদেরই। আপনি নিশ্চই একটি এন্ডোয়েড থেকে এই লেখাটি পড়ছেন তা কিন্তু গুগলই বানিয়েছে। হয়ত আপনি তাদের ব্রাউজারটিও ব্যবহার করছেন।
(উপরের ছবিতে গুগলের সব প্রযুক্তি দেখানো হয়েছে)।
লেখাটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
লেখাঃ খালিদ হাসান।



No comments